কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ রিভিউ: জিতের জোরালো প্রত্যাবর্তন, অ্যাকশন ও সংলাপে জমজমাট
ছবিটি ফেসবুক থেকে সংগ্রহ
কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ রিভিউ: জিতের জোরালো প্রত্যাবর্তন, অ্যাকশন ও সংলাপে জমজমাট
দীর্ঘ বিরতির পর বড়পর্দায় ফিরলেন জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ। নতুন ছবি ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এ তিনি বিপ্লবী অনন্ত সিংহের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের সামনে এক ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছেন।
ছবিটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও এটি পুরোপুরি জীবনীভিত্তিক নয়। তবে অনন্ত সিংহের জীবনের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও সংগ্রামের ছাপ গল্পে ফুটে উঠেছে। স্বাধীনতার আগে বিপ্লবী হিসেবে তাঁর ভূমিকা এবং স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে তাঁর বিতর্কিত কর্মকাণ্ড—দুটি দিকই ছবিতে তুলে ধরা হয়েছে।
এই সিনেমার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ নিঃসন্দেহে জিৎ। ভিন্ন বয়স ও রূপে একাধিক লুকে তাকে দেখা গেছে, এবং প্রতিটি উপস্থিতিতেই তিনি দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন। শক্তিশালী সংলাপ, দেশপ্রেমের আবহ এবং দক্ষিণী স্টাইলের অ্যাকশন—সব মিলিয়ে ছবিটি নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছে বেশ উপভোগ্য হয়ে উঠতে পারে।
ছবিতে আরও অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী, চন্দন সেন, কৌশিক সেনসহ অনেক অভিজ্ঞ শিল্পী। সবার অভিনয় প্রশংসনীয় হলেও পুরো ছবিটি মূলত জিতকে কেন্দ্র করেই এগিয়েছে।
তবে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। গল্পের সময়কাল উপস্থাপনায় কিছু অসঙ্গতি চোখে পড়ে, আর শেষের আদালতের দৃশ্যটি আরও শক্তিশালী করা যেত। এছাড়া কিছু চরিত্রের উপস্থাপনা আরও বাস্তবসম্মত হলে ভালো লাগত।
সংগীত ও চিত্রগ্রহণ ছবির আবহ তৈরি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গানগুলো শ্রুতিমধুর এবং ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দৃশ্যগুলোর সঙ্গে ভালোভাবে মানিয়ে গেছে।
সব মিলিয়ে, দেশপ্রেম, অ্যাকশন এবং জিতের পারফরম্যান্স—এই তিনের মিশেলে ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ একটি বিনোদনমূলক ও আলোচনাযোগ্য সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নিতে পারে।
Comments
Post a Comment